‘আমরা নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষ। মাছ-মাংস-ডিম এখন আশাও করি না। শেষ ভরসা সবজি, সেটাতেও আগুন। ডাল-আলু দিয়ে ভাত খেতেও এখন কষ্ট হয়ে যায়।’ বুধবার (৯ অক্টোবর) এ ভাবেই নিজের কষ্টের কথা জানাচ্ছিলেন
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার পরিস্থিতি ও সরবরাহ চেইন তদারক ও পর্যালোচনার জন্য জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে সরকার। সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মেহেদী হাসানের সই করা এক
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে ভারত থেকে এলো দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ পিস মুরগির ডিম। প্রতিপিস সাড়ে সাত টাকা মূল্যে এসব ডিম আমদানি করা হয়েছে। রোববার (৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার
গত ১৫ সেপ্টেম্বর খুচরা, পাইকারি ও উৎপাদক পর্যায়ে ডিম, মুরগির দাম সরকার নির্ধারণ করে দিয়েছিল সরকার। মূল্য বেঁধে দেওয়ার ১৯ দিন পেরোলেও বাজারে আগের সেই বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার-সোনালি
ভোক্তাদের কথা মাথায় রেখে গত ১৫ সেপ্টেম্বর মুরগি ও ডিমের দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। কিন্তু তার যেন প্রতিফলন নেই বাজারে। এলাকাভেদে ডজনপ্রতি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা
চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় খাবারে ক্ষতিকর কেমিক্যাল, মেয়াদোত্তীর্ণ মসলা ও রং ব্যবহার এবং বাসি বিরিয়ানি সংরক্ষণের দায়ে কাচ্চি এক্সপ্রেস নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার
সরকার গত ১৫ সেপ্টেম্বর খুচরা বাজারে ডিমের দাম নির্ধারণ করে দেয়। সে অনুযায়ী খুচরায় ডিম বিক্রি হওয়ার কথা প্রতি পিস ১১ টাকা ৮৭ পয়সায়। অথচ বাজারে ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫