• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৮৪ কোটি টাকা সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দুই ঘণ্টায় বেড়েছে ১৪০ শেয়ারদর বন্ধ ৬ পাটকল ছয় মাসে বেসরকারি উদ্যোগে চালুর সিদ্ধান্ত কমলো সোনা ও রুপার দাম সূচকের উত্থানে লেনদেন ১ হাজার ৫৬ কোটি টাকা রাজস্ব বাড়াতে করপোরেট করহার কমানোর সুযোগ নেই : এনবিআর চেয়ারম্যান বাসের নতুন ভাড়া নির্ধারণ বৃহস্পতিবার বোরো মৌসুমের ধান-চাল-গমের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ২৮২ শেয়ারদর

বিকাশ অ্যাপ থেকে ৫০ লাখ ডিপিএস খোলা হলো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

চালু হওয়ার মাত্র চার বছরেই বিকাশ অ্যাপ থেকে গ্রাহকরা চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও এক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে খুলেছেন ৫০ লাখের বেশি ডিপিএস। দিনে-রাতে যেকোনো সময় সবচেয়ে সহজে মাত্র ২৫০ টাকা দিয়েই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সঞ্চয় শুরু করা যায় বিকাশ অ্যাপ থেকে। স্বাচ্ছন্দ্যে এক প্ল্যাটফর্ম থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ও মাসিক-উভয় ধরনের ডিপিএস খোলার সুযোগ থাকায় ন্যূনতম সময়ে এই মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে নিজ নিজ সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি গ্রাহকের কাছে সেবা পৌঁছে দিয়ে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে টেকসই করতে পারে। আর এই ধারণা থেকেই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ডিপিএস সেবা তার প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসেছে বিকাশ। পাশাপাশি, সময়োপযোগী এই ডিপিএস সেবা মূলধারার ব্যাংকিংয়ের সঙ্গে প্রান্তিক গ্রাহকদের একটি সেতুবন্ধনও তৈরি করেছে।

২০২১ সালে আইডিএলসি ফাইন্যান্স-এর মাসিক ডিপিএস সেবা দিয়ে যাত্রা শুরু করা বিকাশ-এর ডিজিটাল সেভিংস সেবায় পর্যায়ক্রমে যুক্ত হয়েছে ঢাকা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংক। বিকাশ অ্যাপে মাসিক ডিপিএস-এর পাশাপাশি সাপ্তাহিক ডিপিএস সেবা চালু হয় ২০২৪-এর প্রথমার্ধে। সাধারণ ডিপিএস ছাড়াও যে গ্রাহকরা ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক সঞ্চয়ে আগ্রহী, তাদের জন্য রয়েছে দুটি ব্যাংকের ইসলামিক ডিপিএস সেবা।

বিকাশ অ্যাপ থেকে যে ডিপিএসগুলো খোলা হয়েছে তার ৩০ শতাংশই খুলেছেন নারীরা। এদিকে, ডিপিএস খোলা গ্রাহকদের ৮০ শতাংশই বসবাস করেন ঢাকা এবং চট্টগ্রাম মতো বড়ো শহরের বাইরে। দেশের ৬৪ জেলার গ্রাহকই বিকাশ-এর মাধ্যমে ডিপিএস খুলেছেন, যার অর্থ হচ্ছে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্তে, এমনকি আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীর কাছেও দরকারি আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

আবার, মোট ডিপিএস-এর ৫৫ শতাংশই খোলা হয়েছে ব্যাংকিং সময়ের পর, অর্থাৎ গ্রাহকরা নিজের সুবিধা মতো সময়ে সঞ্চয়ের মতো জরুরি আর্থিক সেবা নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। একটি জরিপে দেখা গেছে, যে গ্রাহকদের ডিপিএস এরইমধ্যে মেয়াদপূর্ণ হয়েছে তাদের ৯৬ শতাংশই আবার বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ডিপিএস খোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

প্রতিষ্ঠান ও ডিপিএসের ধরনভেদে (সাপ্তাহিক বা মাসিক) ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ চার বছর মেয়াদে ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জমাতে পারছেন গ্রাহকরা। নতুন ডিপিএস খুলতে বিকাশ অ্যাপের হোমস্ক্রিন থেকে ‘সেভিংস’ আইকনে ট্যাপ করে কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করে যেকোনো গ্রাহক যেকোনো সময় ডিপিএস খুলতে পারছেন। নির্দিষ্ট তারিখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাকা জমা হওয়া থেকে শুরু করে কতো টাকা জমা হলো, মুনাফা কতো জমা হলো তা গ্রাহক যেকোনো সময় অ্যাপ থেকে দেখে নিতে পারেন। আর মেয়াদ পূর্তিতে ‘ক্যাশ আউট’ খরচ ছাড়াই মুনাফাসহ মূল অর্থ তুলতে পারছেন গ্রাহকরা।


আরও

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০