• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৮৪ কোটি টাকা সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দুই ঘণ্টায় বেড়েছে ১৪০ শেয়ারদর বন্ধ ৬ পাটকল ছয় মাসে বেসরকারি উদ্যোগে চালুর সিদ্ধান্ত কমলো সোনা ও রুপার দাম সূচকের উত্থানে লেনদেন ১ হাজার ৫৬ কোটি টাকা রাজস্ব বাড়াতে করপোরেট করহার কমানোর সুযোগ নেই : এনবিআর চেয়ারম্যান বাসের নতুন ভাড়া নির্ধারণ বৃহস্পতিবার বোরো মৌসুমের ধান-চাল-গমের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ২৮২ শেয়ারদর

ব্র্যাক ব্যাংক চালু করলো প্লাটিনাম মাল্টিকারেন্সি ডেবিট কার্ড

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

গ্রাহকদের জন্য দেশের অভ্যন্তরে ও বিদেশে লেনদেন আরও দ্রুত, নিরাপদ ও সুবিধাজনক করতে মাস্টারকার্ড প্রযুক্তিসংবলিত নতুন প্লাটিনাম মাল্টিকারেন্সি ডেবিট কার্ড চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।

রোববার (২৩ নভেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্ডটির উদ্বোধন করা হয়। এই নতুন কার্ডে রয়েছে নানা রকম সুবিধাজনক ফিচারের পাশাপাশি রিওয়ার্ড জেতার সুযোগ, যা গ্রাহকদের ঝামেলাহীন পেমেন্টের পাশাপাশি দেবে বাড়তি সুবিধা।

বিশ্বব্যাপী মাস্টারকার্ড নেটওয়ার্কে যেকোনো মুদ্রায় কার্ডটি গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন ট্রানজ্যাকশন সুবিধা দেবে, যা ভ্রমণ, কেনাকাটা এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনকে করে তুলবে আরও সহজ ও উপভোগ্য। বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক গ্রাহকদের দেশে ও দেশের বাইরে দৈনন্দিন ডেবিট কার্ড ট্রানজ্যাকশনে দিচ্ছে রিওয়ার্ড পয়েন্ট জেতার সুযোগ।

এছাড়াও, ব্র্যাক ব্যাংক নারীদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা মাস্টারকার্ড প্লাটিনাম মাল্টিকারেন্সি ‘তারা’ ডেবিট কার্ড চালু করেছে, যেখানে প্রতি মঙ্গলবার কার্ডহোল্ডাররা ট্রানজ্যাকশনে উপভোগ করবেন দ্বিগুণ রিওয়ার্ড পয়েন্ট।

এনএফসি-সক্ষম কন্ট্যাক্টলেস প্রযুক্তি, ইএমভি চিপ এবং টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সুবিধা সংবলিত কার্ডটি নিশ্চিত করবে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পেমেন্ট অভিজ্ঞতা। কার্ডহোল্ডাররা মাস্টারকার্ডের ৯,৫০০+ পার্টনার মার্চেন্টে বিশেষ অফার উপভোগ করবেন, যেখানে থাকবে এক্সক্লুসিভ সব ডিল। গ্লোবাল অ্যাকসেপ্টেন্স এবং মাস্টারকার্ড ‘প্রাইসলেস সেশালস’ প্ল্যাটফর্মের প্রিমিয়াম সুবিধা গ্রাহকদের দেবে অন্যরকম অভিজ্ঞতা।

নেটফ্লিক্স, স্পটিফাই ও অ্যামাজন প্রাইমে সাবস্ক্রাইব করতে এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট প্রমোশনেও গ্রাহকরা এই কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।

ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থা অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত এই মাল্টি কারেন্সি কার্ডটি এটিএম থেকে কিউআর কোডের মাধ্যমে নগদ উত্তোলন ও কিউআর-ভিত্তিক পেমেন্ট সুবিধা দেবে, যা খুব সহজেই অ্যাপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এছাড়াও বিশ্বব্যাপী পার্টনার মার্চেন্টে কার্ডহোল্ডাররা উপভোগ করবেন বিশেষ ডিসকাউন্ট।

এই কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, মাস্টারকার্ড প্লাটিনাম মাল্টিকারেন্সি ডেবিট কার্ডের সুবিধা ব্র্যাক ব্যাংকের উদ্ভাবনী ও গ্রাহকবান্ধব সেবার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দৈনন্দিন ব্যবহারযোগ্যতা, গ্লোবাল অ্যাক্সেস এবং নিরাপদ প্রযুক্তির সমন্বয়ে এই কার্ডটি গ্রাহকদের যেকোনো স্থানে নিরাপদ আর্থিক লেনদেনে উদ্বুদ্ধ করবে।

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, কৌশলগত সহযোগিতা ও উদ্ভাবনী সল্যুশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্যাশলেস অর্থনীতিতে অবদান রাখতে মাস্টারকার্ড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই নতুন কার্ডটি গ্রাহকদের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক লেনদেনে গ্রাহকদের দেবে আরও উন্নত ও সহজ ব্যাংকিং সুবিধা, যা বাংলাদেশে ডিজিটাল কমার্সের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাস্টারকার্ড সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট গৌতম আগারওয়াল, ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম এবং ব্যাংকটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নতুন এই ডেবিট কার্ড উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য নিরাপদ, সুবিধাজনক এবং ভবিষ্যতমুখী ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ব্যাপারে নিজেদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।


আরও

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০