• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৯৮২ কোটি কর ব্যবস্থাকে আরও ব্যবহারবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান একনেকে ১৭ প্রকল্প উত্থাপন, পাস ১৫ : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ল ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা স্বর্ণে বড় পতন: ভরিতে ৩,২৬৬ টাকা কমে নতুন দর ঘোষণা দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৮৪ কোটি টাকা সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দুই ঘণ্টায় বেড়েছে ১৪০ শেয়ারদর বন্ধ ৬ পাটকল ছয় মাসে বেসরকারি উদ্যোগে চালুর সিদ্ধান্ত কমলো সোনা ও রুপার দাম

সেলফিন অ্যাপে যোগ হলো সম্পূর্ণ ভয়েস-চালিত সেবা

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন অ্যাপে চালু হলো দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট সেলফিন ইকো। এটি একটি সম্পূর্ণ ভয়েস-ভিত্তিক উন্নত ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী ভয়েস কমান্ড দিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। ব্যবহারকারী ইংরেজিতে ভয়েস কমান্ড দিলেই সেলফিন ইকো গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করে বাকি কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদন করে। এতে প্রয়োজন হয় না হাতের কোনো স্পর্শ।

উদাহরণস্বরূপ, গ্রাহক যদি বলেন ‘শো মি সেলফিন/এমক্যাশ ব্যালেন্স’- সেলফিন ইকো সঙ্গে সঙ্গে ব্যালেন্স প্রদর্শন করবে। অথবা তার অ্যাকাউন্ট নম্বরটি বললে সেই অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স তাৎক্ষণিকভাবে দেখাবে। একইভাবে ব্যবহারকারী যদি বলেন ‘সেন্ড টেন থাউজ্যান্ড টাকা টু মামুনস অ্যাকাউন্ট’, সেলফিন ইকো ফেভারিট অপশনে মামুন নামে সংরক্ষিত অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফারের প্রিভিউ দেখাবে। এরপর গ্রাহক পিন ও ওটিপি দিয়ে লেনদেন সম্পন্ন করবেন।

ব্যবহারকারী শুধু ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করেই পরিশোধ করতে পারবেন খিদমাহ ক্রেডিট কার্ড বিল। ‘চেক মাই খিদমাহ বিল অ্যান্ড পে’ বললেই সেলফিন ইকো স্বয়ংক্রিয়ভাবে খিদমাহ’র বকেয়া বিল পরিদর্শন করবে এবং অ্যাকাউন্ট থেকে বিল পরিশোধ করার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত স্পর্শ ছাড়াই সম্পন্ন হবে। গ্রাহক শুধু পিন আর ওটিপি দিয়ে কাজ শেষ করবেন।

সেলফিন ব্যবহার করে এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন হবে আরও সহজ ও দ্রুত। ব্যবহারকারী শুধু ভয়েস কমান্ডে ‘জেনারেট টোকেন টু উইথড্রো টাকা টোয়েন্টি থাউজ্যান্ড ফ্রম অ্যাকাউন্ট নাম্বার’ বলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট নম্বারটি বললেই সেলফিন ইকো স্বয়ংক্রিয়ভাবে উল্লেখিত অ্যাকাউন্ট নম্বর থেকে ২০ হাজার টাকার জন্য একটি টোকেন তৈরি করে দেবে, এটিএম বুথে এই টোকেন ব্যবহারের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা যাবে।

মোবাইল রিচার্জ করা যাবে হাতের কোনো স্পর্শ ছাড়াই। রিচার্জ মাই মোবাইল উইথ টোয়েন্টি টাকা বললেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর মোবাইলে ২০ টাকা রিচার্জ হয়ে যাবে। এছাড়া রিচার্জ গ্রহীতার মোবাইল নম্বর আর খুঁজতে কিংবা লিখতে হবে না। শুধু সেভ করা নাম কিংবা মোবাইল নম্বরটি বললেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিচার্জ হয়ে যাবে।

সেলফিন ইকোর কার্যকারিতা লেনদেনের বাইরেও বিস্তৃত। ভয়েস কমান্ডেই দেখা যায় অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট, সেলফিন ও কার্ড লিমিট, চার্জ ও ফি সংক্রান্ত তথ্য। এছাড়া ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সময়ের স্টেটমেন্টও দেখা যায়। প্রয়োজন হলে স্টেটমেন্ট নিজের ইচ্ছেমতো ফিল্টার করে নেওয়া যায়। কাজ শেষে ভয়েস দিয়ে লগ-আউট করা যায় হাতের কোনো স্পর্শ ছাড়াই। এ যেন সায়েন্স ফিকশনের বাস্তব রূপ।

ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন অ্যাপ বহুদিন ধরেই স্মার্ট ব্যাংকিংয়ের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার, রেমিট্যান্স সংগ্রহসহ বিভিন্ন সেবার কারণে অ্যাপটি ইতোমধ্যেই দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম। বর্তমানে প্রায় ৫৭ লাখ গ্রাহক সেলফিন ব্যবহার করছেন।

বর্তমানে সেলফিন ইকো ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর আরও নিখুঁতভাবে শনাক্ত করার জন্য শেখার ধাপে রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে পিন ও ওটিপি ম্যানুয়ালি প্রদান করতে হবে, ভবিষ্যতে এই ধাপগুলোও স্বয়ংক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।


আরও

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০