• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন

গোয়ালিনী গুড়া দুধে ভেজাল, বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

গোয়ালিনী ডেইলী ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার বাজার থেকে প্রত্যাহার ও ৩ লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে মামলা থেকে রক্ষা পেলেন এসএ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোঃ সাহাবুদ্দিন আলম।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত সাহারা বীথি ওই আদেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। নিম্নমানের গুড়া দুধ বিক্রির দায়ে এসএ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোঃ সাহাবুদ্দিন আলমের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল একই আদালত।

একমাসের বেশি সময় পলাতক থাকার পর বুধবার আদালতে হাজির হন মোঃ সাহাবুদ্দিন আলম। শুনানিতে নিম্নমানের গুড়া দুধ বাজারজাত করার দোষ স্বীকার করেন। দোষ স্বীকারের পর আদালত বাজার থাকা সকল গোয়ালিনী ডেইলী ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার তুলে নিয়ে আদালত ও রাষ্ট্রপক্ষকে অবগত করার নির্দেশ দেয়।

নামে ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার বলা হলেও গোয়ালিনীতে সিকিভাগও পায়নি জনস্বাস্থ্য পরীক্ষাগার। বিএসটিআই এর মান অনুযায়ী দুধে, প্রোটিন ৩৪ শতাংশ থাকার কথা থাকলেও পাওয়া গেছে মাত্র সাড়ে ৯ শতাংশ।

উপাদানের কোন সূচকেই পরিপূর্ণ মাত্রায় পাওয়া যায়নি ওই প্যাকেটজাত গুড়া দুধে। ল্যাব রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুগ্ধ চর্বির (ক্রিম) নির্ধারিত মান ৪২ শতাংশ অথবা তার উপরে থাকার কথা, সেখানে পাওয়া গেছে মাত্র ৭.৫৮ শতাংশ। আবার বিডিএস এর মান অনুযায়ী প্রোটিন ন্যূনতম ৩৪ শতাংশ থাকার কথা, সেখান পাওয়া গেছে মাত্র ৯.৫০ শতাংশ।

এ কারণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোহাং কামরুল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন। এজাহারে এসএ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোঃ সাহাবুদ্দিন আলমকে এক নম্বর আসামি করা হয়। কোম্পানিটি গোয়ালিনী ডেইলী ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার বাংলাদেশে মোড়কজাত ও বাজারজাত করে আসছে।

নানা কারণে মার্কেট থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গোয়ালিনী দুধ। কখনই দর্শক নন্দিত হতে পারেনি, এখন তাদের কর্মকাণ্ডে চরমভাবে নিন্দিত হচ্ছে কোম্পানিটি। নতুন করে বাজার থেকে সকল দুধ প্রত্যাহারের প্রতিক্রিয়ায় বাজার ধসের শঙ্কা করা হচ্ছে। দুধের নামে ভোক্তাদের কি খাওয়াচ্ছে সেই প্রশ্ন এখন সামনে উঠে এসেছে।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার