• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৯৮২ কোটি কর ব্যবস্থাকে আরও ব্যবহারবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান একনেকে ১৭ প্রকল্প উত্থাপন, পাস ১৫ : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ল ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা স্বর্ণে বড় পতন: ভরিতে ৩,২৬৬ টাকা কমে নতুন দর ঘোষণা দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৮৪ কোটি টাকা সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দুই ঘণ্টায় বেড়েছে ১৪০ শেয়ারদর বন্ধ ৬ পাটকল ছয় মাসে বেসরকারি উদ্যোগে চালুর সিদ্ধান্ত কমলো সোনা ও রুপার দাম

একীভূত হওয়া ৫ ব্যাংকের হিসাব যাচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে, উত্তোলন সীমা ২ লাখ

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের হিসাব নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এই কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংক। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে কাজটি শেষ হলে বিদ্যমান পাঁচটি ব্যাংকের গ্রাহকদের সব আমানত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের হিসাবে স্থানান্তরিত হবে। তবে গ্রাহকরা আপাতত তাদের বর্তমান চেক বই ব্যবহার করে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন।

ব্যাংক সূত্র জানায়, নির্ধারিত সীমার বাইরে অবশিষ্ট আমানত সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের হিসাবে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে এবং ওই আমানতের ওপর প্রচলিত হারে মুনাফা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক হিসেবে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়বে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এর ফলে হঠাৎ করে টাকা উত্তোলনের চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, একীভূত হওয়া সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলনের সুযোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত শিগগিরই কার্যকর হবে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা সময় চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তিনি বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং কয়েকটি গণমাধ্যমে আগামী সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) থেকে মার্জারের আওতাভুক্ত একটি ব্যাংকের আমানতকারীদের টাকা উত্তোলনের সুযোগ দেয়া হবে বলে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা সঠিক নয়।

এ ধরনের অসত্য তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, মার্জারের আওতাভুক্ত পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলনের সুযোগ দেয়ার বিষয়টি শিগগিরই শুরু হবে। তবে এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ বা সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

এর আগে গত ৫ নভেম্বর আর্থিকভাবে দুর্বল পাঁচটি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংককে অকার্যকর ঘোষণা করে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো- এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক।

আর গত ৯ নভেম্বর গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ডের একটি বিশেষ অনলাইন সভায় পাঁচটি দুর্বল ব্যাংক একীভূত করে পরিচালনার জন্য শরিয়াহভিত্তিক নতুন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’কে প্রাথমিক লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল। আর গত ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরু হয়।

গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কয়েকটি প্রভাবশালী গ্রুপ জালিয়াতির মাধ্যমে ডজনখানেক ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ তুলে নেয়। এসব অনিয়ম ও ঋণ কেলেঙ্কারির চাপে ব্যাংকগুলো ধীরে ধীরে গভীর সংকটে পড়ে। এর মধ্যে সংকটে থাকা পাঁচটি ব্যাংক একত্রিত করে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক’ গঠনের অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কীভাবে, কত টাকা তুলতে পারবেন আমানতকারীরা

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, যেসব গ্রাহকের হিসাবে দুই লাখ টাকা বা এর কম আছে, স্কিম কার্যকর হওয়ার পর তারা পুরো টাকা একবারেই তুলতে পারবেন। আর যাদের হিসাবে দুই লাখ টাকার বেশি রয়েছে, তারা প্রতি তিন মাস অন্তর সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা করে দুই বছর পর্যন্ত তুলতে পারবেন।

তবে, ৬০ বছরের বেশি বয়সী গ্রাহক অথবা ক্যানসার বা জটিল রোগে আক্রান্ত আমানতকারীদের জন্য এই সীমা শিথিল রাখা হয়েছে- তারা প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণ টাকা তুলতে পারবেন।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা। অনুমোদিত মূলধন রাখা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ ব্যাংকে বর্তমানে ৭৫ লাখ আমানতকারীর প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা জমা রয়েছে। বিপরীতে ঋণ রয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা, যার বড় অংশ ইতোমধ্যে খেলাপি হয়ে পড়েছে।

সারা দেশে এসব ব্যাংকের ৭৬০টি শাখা, ৬৯৮টি উপশাখা, ৫১১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ৯৭৫টি এটিএম বুথ রয়েছে। একীভূত হওয়ার পর একই এলাকার একাধিক শাখা মিলে একটি বা দুটি করা হবে। ব্যাংকগুলোর পরিচালন খরচ কমাতে এরই মধ্যে কর্মীদের বেতন-ভাতা ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে।


আরও

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০