• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন

দুবাইয়ের গালফুড মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ৩৪ প্রতিষ্ঠান

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্য ও পানীয়ভিত্তিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘গালফুড ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশের ৩৪টি প্রতিষ্ঠান। এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের খাদ্যপণ্যের রপ্তানি আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এসব প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে শুরু হয়েছে গালফুডের ৩১তম আসর, যা চলবে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (ডিডব্লিউটিসি) এবং এক্সপো সিটির দুবাই এক্সিবিশন সেন্টার (ডিইসি)—এই দুই ভেন্যুতে। এবারের আসরে বিশ্বের ১৯০টির বেশি দেশের প্রায় ৮ হাজার ৫০০ শীর্ষস্থানীয় খাদ্য ও পানীয় উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী, পরিবেশক, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাসহ নীতিনির্ধারকেরা অংশ নিয়েছেন।

মেলার উদ্বোধনী দিনেই দুবাই এক্সিবিশন সেন্টারের সাউথ হল-১২-এ অবস্থিত বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (মেলা) মো. ওয়ারেস হোসেন, কমার্শিয়াল কাউন্সেলর আশীষ কুমার সরকার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. আব্দুল কাদেরসহ বাংলাদেশ মিশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে দেশের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের মোট ৭২ জন প্রদর্শক অংশ নিচ্ছেন। এখানে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হিমায়িত খাবার, স্ন্যাকস, মশলা, চাল, বিভিন্ন ধরনের পানীয়, কৃষিভিত্তিক দেশীয় পণ্য এবং মূল্য সংযোজিত খাদ্যসামগ্রী প্রদর্শিত হচ্ছে।

মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক ক্রেতা, পরিবেশক ও বিপণনকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং বি-টু-বি নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ পাচ্ছে। এর ফলে নতুন রপ্তানি বাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারের নীতিগত সহায়তা, উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ, তুলনামূলক কম উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক মান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষিজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। বিশ্ববাজারে হালাল ও হিমায়িত খাদ্যপণ্যের বাড়তে থাকা চাহিদার প্রেক্ষাপটে গালফুড মেলা বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার