• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এপ্রিলের ২৫ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও কার্যকর করারোপের দাবিতে মানববন্ধন প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৯৮২ কোটি কর ব্যবস্থাকে আরও ব্যবহারবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান একনেকে ১৭ প্রকল্প উত্থাপন, পাস ১৫ : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ল ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা স্বর্ণে বড় পতন: ভরিতে ৩,২৬৬ টাকা কমে নতুন দর ঘোষণা দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৮৪ কোটি টাকা সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দুই ঘণ্টায় বেড়েছে ১৪০ শেয়ারদর

ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের নতুন এমডি ও সিইও মো. এহতেশামুল হক খান

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বেসরকারি খাতের ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগ দিয়েছেন মো. এহতেশামুল হক খান।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন কর্মস্থলে যোগদান করে দায়িত্বভার বুঝে নেন তিনি। ব্যাংকটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, মো. এহতেশামুল হক খান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার আগে প্রায় ছয় বছর তিনি ব্যাংকটির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান ব্যবসায় কর্মকর্তা (সিবিও) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এহতেশামুল হক খান ব্যাংকটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে, তিনি ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবেও কাজ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মো. এহতেশামুল হক খান ২০০৩ সালে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকে যোগ দেন। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি ব্যাংকের বিভিন্ন গুণগত পরিবর্তন, উদ্ভাবন, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং কর্মীদের দক্ষতা ও পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৯৫ সালে বেসিক ব্যাংকে সহকারী ব্যবস্থাপক (অন প্রবেশন) হিসেবে তার ব্যাংকিং পেশা শুরু হয়। সব মিলিয়ে এই ব্যাংকারের ৩০ বছরের বেশি ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা রয়েছে।

মো. এহতেশামুল হক খান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে বিএসসি (স্নাতক) ও এমএসসি (স্নাতকোত্তর) সম্পন্ন করেছেন।

ব্যাংকসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) বয়সের সময়সীমার কারণে ব্যাংকটির এমডি আবুল কাশেম মো. শিরিনের নিয়মিত চাকরির মেয়াদ শেষ হয়। মেয়াদ শেষের আগে তিনি টানা আট বছর ব্যাংকটির এমডির দায়িত্ব পালন করেন। তার মেয়াদ শেষের কারণে শনিবার ছুটির দিনে নতুন এমডি তার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। অর্থাৎ ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকে আবুল কাশেম মো. শিরিনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন এহতেশামুল হক খান।


আরও

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০