• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এপ্রিলের ২৫ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও কার্যকর করারোপের দাবিতে মানববন্ধন প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৯৮২ কোটি কর ব্যবস্থাকে আরও ব্যবহারবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান একনেকে ১৭ প্রকল্প উত্থাপন, পাস ১৫ : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ল ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা স্বর্ণে বড় পতন: ভরিতে ৩,২৬৬ টাকা কমে নতুন দর ঘোষণা দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৮৪ কোটি টাকা সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দুই ঘণ্টায় বেড়েছে ১৪০ শেয়ারদর

আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও কার্যকর করারোপের দাবিতে মানববন্ধন

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যের উপর কার্যকর করারোপ ও মূল্য বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে ডর্‌প টোব্যাকো-ফ্রি ইয়ুথ-এর সদস্যসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী। সিগারেটের সহজ প্রাপ্যতা কমাতে এবং তামাকের ক্ষতি থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষায়, শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) সকালে আগারগাঁও জাতীয় রাজস্ব ভবন-এর সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এই দাবি জানান তরুণরা।

মানববন্ধনে তরুণরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশে তামাকজাত পণ্যের সহজলভ্যতার কারণে তরুণ ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর মধ্যে তামাক ব্যবহার ও ধূমপানের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে প্রায় ২ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে, যা মোট মৃত্যুর প্রায় ১৮ শতাংশ। এই অকাল মৃত্যুর মিছিল বন্ধ করতে তামাকপণ্যকে তরুণদের নাগালের বা ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যেতে হবে। আর এটা করতে হলে কার্যকরভাবে করারোপের মাধ্যমে তামাকপণ্যের দাম বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস’র (বিইউপি) শিক্ষার্থী সাইফুল বলেন, বাংলাদেশে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতি বছরে ৮৭ হাজার কোটি টাকা, অপরদিকে তামাক থেকে রাজস্ব প্রাপ্তি মাত্র ৪০ হাজার কোটি টাকা। এর সঙ্গে ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্য (জর্দা, গুল, সাদাপাতা) অন্তর্ভুক্ত করলে এই আর্থিক ক্ষতি আরও অনেক বাড়বে। এই ক্ষতি কমাতে তামাকখাতকে কেবল রাজস্ব আয়ের চশমা দিয়ে না দেখে কার্যকর করারোপ করতে হবে। আর এজন্য তামাকপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সাদিয়া বলেন, বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের তুলনায় তামাকপণ্য খুবই সস্তা। প্রতিবছর মূল্যস্ফীতি ও আয়বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি না হওয়ায় এসব পণ্য তরুণদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই থেকে যাচ্ছে, যা তামাক ব্যবহার হ্রাসে কোনো কার্যকর প্রভাব ফেলছে না। তাই কার্যকরভাবে দাম বৃদ্ধি না করলে তামাকপণ্য তরুণদের নাগালের মধ্যেই থেকে যাবে এবং তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাবে।

সরকারকে তামাকের ভয়াবহ করাল গ্রাস থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষার আহবান জানিয়ে ডর্‌প তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রতিনিধি জেবা আফরোজা বলেন, সিগারেটের চার স্তরের মূল্য কাঠামোর কারণেও সিগারেট সস্তা ও সহজলভ্য থেকে যাচ্ছে, যা তরুণদের তামাক ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একত্র করে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ, উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা ও প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা নির্ধারণ এবং সকল স্তরে ৬৭% সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করতে হবে।


আরও

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০