• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এপ্রিলের ২৫ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও কার্যকর করারোপের দাবিতে মানববন্ধন প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৯৮২ কোটি কর ব্যবস্থাকে আরও ব্যবহারবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান একনেকে ১৭ প্রকল্প উত্থাপন, পাস ১৫ : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ল ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা স্বর্ণে বড় পতন: ভরিতে ৩,২৬৬ টাকা কমে নতুন দর ঘোষণা দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৮৪ কোটি টাকা সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দুই ঘণ্টায় বেড়েছে ১৪০ শেয়ারদর

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রথম এমডি নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রাষ্ট্রমালিকানাধীন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদে নিয়োগ পেয়েছেন নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান। এর আগে তিনি ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নতুন এমডির বিষয়টি গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তাকে এমডি হিসেবে নিয়োগ দেয়। ফলে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত ব্যাংকটি প্রথম এমডি পেল। তাকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক খাতের ৩২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান ইউসিবি ব্যাংকে ২০২৪ সালের অক্টোবরে যোগদান করেন। এর আগে তিনি হাবিব ব্যাংক লিমিটেড (এইচবিএল) বাংলাদেশে কান্ট্রি চিফ রিস্ক অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এইচবিএল বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি ২০১৮ সালে তিনি ইউসিবির ডিএমডি হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০২০ সালে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ইসলামিক ব্যাংকিং এবং ট্রানজেকশন ব্যাংকিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

ইউসিবিতে যোগদানের আগে তিনি ব্র্যাক ব্যাংকে ডিএমডি ও চিফ রিস্ক অফিসার পদে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি কর্পোরেট, রিটেইল ও এসএমই ব্যাংকিংয়ের ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্টে বিশেষভাবে অভিজ্ঞতালব্ধ। তিনি বৃহৎ ও সমন্বিত প্রজেক্ট ফিন্যান্স এবং স্ট্রাকচার্ড ফিন্যান্সেও অভিজ্ঞ। এ ছাড়া তিনি কালেকশন ও ইমপেয়ার্ড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট, অপারেশনাল রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, ইনফরমেশন সিকিউরিটি ও ইসলামি ব্যাংকিং প্রভৃতি ক্ষেত্রেও দক্ষতাসম্পন্ন।

নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান আইবিএ থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। তিনি ১৯৯৩ সালে ফিন্যান্স ও ম্যানেজমেন্ট সায়েন্স মেজর নিয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি হংকংয়ে পেশাগত জীবন শুরু করেন।

গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কয়েকটি প্রভাবশালী গ্রুপ জালিয়াতির মাধ্যমে ডজনখানেক ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ তুলে নেয়। এসব অনিয়ম ও ঋণ কেলেঙ্কারির চাপেই ব্যাংকগুলো ধীরে ধীরে গভীর সংকটে পড়ে। এর মধ্যে সংকটে থাকা পাঁচটি ব্যাংক একত্রিত করে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক’ গঠন করা হয়। ব্যাংকগুলো হলো– এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা। অনুমোদিত মূলধন রাখা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি।


আরও

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই পাওয়ার প্ল্যান্টের চালু থাকা সবশেষ ইউনিটটিরও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) মধ্যরাতে প্ল্যান্টের ১২৫ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটিতে (১ নম্বর ইউনিট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি ও সংস্কারকাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে মূলত ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল কর্তৃপক্ষ।    তবে সচল থাকা এই দুটি ইউনিটও বিভিন্ন সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বারবার বন্ধ হয়েছে। এর আগে গত বছর (২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও অক্টোবর মাসে) বয়লারের লিকেজ, টিউব ফেটে যাওয়া এবং টারবাইনের সেন্সর নষ্ট হওয়ার মতো ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের পুরানো এই কেন্দ্রটিতে বারবার এমন বিপর্যয়ের কারণে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০