• শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন

মূল্য নির্ধারণের খবরে কেজিতে ১০ টাকা বৃদ্ধি

সবপণ্য মূল্যই ঊর্ধ্বমুখী, এক রাতেই উধাও আলু

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

# কমার পর ফের বেড়েছে পেঁয়াজের মূল্য
# সবজির মূল্য বৃদ্ধির পর কমার খবর নেই
# মসল্লা-মুদি পণ্যমূল্যও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে
# শঙ্কা দেখছেন গবেষক ও ব্যবসায়ীরা

অতিনিত্যপণ্য হিসেবে বিবেচিত গোল আলু খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছিল ২০ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা কেজি ধরে। কিন্তু সরকার গতকাল (২৭ আগস্ট) হিমাগারের গেটে এই আলুর বিক্রি মূল্য নির্ধারণ করে দেয় ২২ টাকা কেজি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পাবে আলু মূল্য। কিন্তু গতকাল সন্ধ্যায় সরকারি এ সিদ্ধান্ত জানার পরপরই রাজধানীর বাজারগুলো আলু বিক্রি একলাফে ১০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করলেন দোকানীরা। ক্রেতারাও আলু কিনতে অস্থিও হয়ে গেলেন। ফলে সরকারি মূল্য নির্ধারণের খবরে রাতের মধ্যে সব আলু বিক্রি শেষ হয়েছে গেল কেজি প্রতি নির্ধারিত মূল্যের অন্তত ১০ টাকা বেশি দরে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই যে আলু বাড়তি মূল্যে বিক্রি হলো, তারা কী নতুন মূল্য হিমাগার থেকে ২২ টাকা কেজিতে এই সব আলু কিনে ছিলেন? দেশের এই অস্থিও ক্রেতা আর অসাধু বিক্রেতাদের রুখবে কে?

এমনিতেই স্বল্প আয়ের মানুষ বড়ই বিড়ম্বনার মধ্যে রয়েছেন। কারণ, তাদের আয় বাড়ছে না কিন্তু নিত্যপণ্য এবং অতিনিত্যপণ্য মূল্য বেড়েই চলছে। আর এই লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি দেশের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের কষ্ট আরও বাড়িয়েছে। চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, সবজি, মাছ, মাংস প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাড়তি মূল্য শোধ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শুধু নিত্যপণ্য নয়, জীবন-যাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বেড়েছে ব্যয়, অথচ আয় বাড়েনি, বরং ব্যয় বহুগুণে বেড়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারই নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। একারণে খাবার টেবিলে এখন আর আগের সেই বৈচিত্র্য নেই, বরং এখন অনেক পরিবারই চলছে জোড়াতালি দিয়ে। এভাবে আয় না বেড়ে ব্যয় বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে দেশে দারিদ্রের হার আরও বাড়বে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এখন বাজার পরিস্থিতি ঊর্ধ্বমুখী
নিত্যপণ্যের বাজার এখন পুড়ছে অনেকটা দামের উত্তাপে। এতে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। বাজারে বেশিরভাগ সবজির দামই ১০০ টাকার বেশি। ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। এতে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন নগরীর অধিকাংশ মানুষ। প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়, শসা ৮০ টাকায়, ঢ্যাঁড়শ ৮০ থেকে ৯০ টাকা, টমেটো ১৮০ টাকা, পটোল ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বরবটি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, কচুরলতি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ধুন্দল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বেগুন (গোল) ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা, বেগুন (লম্বা) ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচু ৮০ টাকা, কুমড়া (জালি) প্রতি পিস ৬০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের ঠিক এ সময়ের দামের তুলনায় বর্তমানে সব ধরনের সবজির দাম বেশি। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের বাজারের তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত বছর এ সময়ে প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়, বরবটি ৫০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ৫৫ থেকে ৮০ টাকা এবং ঝিঙা ৫০ থেকে ৮০ টাকায়। এখন এসব সবজির দাম গত বছরের তুলনায় ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেশি। টিসিবির দেওয়া তথ্যানুয়ায়ী, ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৬০ থেকে ১৭৫ টাকা। দাম কমার তালিকায় ফার্মের ডিমও রয়েছে বলে জানিয়েছে টিসিবি। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, ২২ আগস্ট ডিমের দাম ৩ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বেড়ে হালি (৪টি) বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, যা আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা।

আমদানি বন্ধের পেঁয়াজের দাম আবার বেড়েছে
দেশের বাজারে দাম স্বাভাবিক রাখতে সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর গেলো ১৭ আগস্ট থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয় পেঁয়াজ আমদানি। আমদানির পর থেকেই কমতে থাকে পেঁয়াজের দাম। তবে হঠাৎ করে কোনো ঘোষণা ছাড়া ১৯ আগস্ট থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পত্র (আইপি) দেয়া বন্ধ করে দেয় সরকার। এতে চরম বিপাকে পড়ে যায় বন্দরের ব্যবসায়ীরা, বন্ধের পথে পেঁয়াজ আমদানি। আর এ খবরে বন্দরের পাইকারি ও খুচরা বাজারে বেড়েছে সবধরনের পেঁয়াজের দাম। কয়েক দিনের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত। হিলি স্থলবন্দর ও খুচরা বাজারের খবর নিয়ে জানা গেছে, বন্দরে রয়েছে বেশ কয়েকটি ভারতীয় পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক। এছাড়াও খুচরা বাজারেও সরবরাহ রয়েছে দেশি ও আমদানিকৃত পেঁয়াজের। কিন্তু দামে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে, মাত্র ৪ থেকে ৫ দিনের ব্যবধানে বেড়েছে সব পেঁয়াজের দাম। আমদানিকৃত ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে সেই পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা কেজিতে। নাসিক জাতের পেঁয়াজ ৫৫ টাকা বিক্রি হলেও এখন তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজিতে। আর দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বেড়ে মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।

বেড়েছে মসল্লা ও মুদিপণ্যের মূল্যও
রাজধানীতে মসল্লা ও মুদি পণ্যের মূলও বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে রাজধানী ঢাকায় প্যাকেট ও খোলা সব ধরনের আটার দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে সয়াবিন তেল, লবঙ্গ, এলাচ, ধনিয়া, তেজপাতা ও ব্রয়লার মুরগির দাম। বিপরীতে কমেছে ডিম, আদা, রসুন ও লুজ পাম অয়েলের দাম। সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) থেকে এমন প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ে টিসিবির তৈরি করা প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২২ আগস্ট লবঙ্গের দাম ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা, যা আগে ছিল ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা। এর একদিন আগে দাম বাড়ে তেজপাতা ও ধনিয়ার। তেজপাতার দাম ৫ শতাংশ বেড়ে কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা, যা আগে ছিল ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। আর ধনিয়ার দাম বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এতে এক কেজি দেশি ধনিয়া বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৮০ টাকা, যা আগে ছিল ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। এলাচের (ছোট) দাম বাড়ে গত ২০ আগস্ট। ৪ দশমিক ১২ শতাংশ দামে বেড়ে ছোট এলাচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা, যা আগে ছিল ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার ২০০ টাকা। খোলা আটার দাম বাড়ে ১৯ আগস্ট। ৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ দাম বেড়ে খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৫০ টাকা, যা আগে ছিল ৪২ থেকে ৪৫ টাকা। খোলা আটার দাম বাড়ার একদিন আগে বাড়ে প্যাকেট আটার দাম। ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে প্যাকেট আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা, যা আগে ছিল ৫২ থেকে ৬০ টাকা। ১৯ আগস্ট বোতলের দুই লিটার সয়াবিন তেলের দামও বাড়ে। দশমিক ২৭ শতাংশ দাম বেড়ে বোতলের দুই লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৩৭২ থেকে ৩৭৮ টাকা, যা আগে ছিল ৩৭০ থেকে ৩৭৮ টাকা। এর দু’দিন আগে বাড়ে লুজ সয়াবিন তেল ও বোতলের এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম। দশমিক ৯০ শতাংশ দাম বেড়ে প্রতি লিটার লুজ সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৭২ টাকা, যা আগে ছিল ১৬২ থেকে ১৭২ টাকা। আর বোতলের এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮৮ থেকে ১৯০ টাকা, যা আগে ছিল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা। সয়াবিন তেলের দাম বাড়লেও কমেছে লুজ পাম অয়েলের। দশমিক ৬৫ শতাংশ কমে লুজ পাম অয়েলের প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৮ টাকা, যা আগে ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। দেশি রসুনের দাম ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কমে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা, যা আগে ছিল ৮০ থেকে ১৬০ টাকা। আমদানি করা রসুনের দাম ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ কমে কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ২০০ টাকা, যা আগে ছিল ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। আমদানি করা আদার দাম ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ কমে কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২৭০ টাকা, যা আগে ছিল ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা।

দাম বৃদ্ধির যে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা
পাইকারি বাজার, খুচরা বাজার, আড়তদার ও বিক্রেতারা বলছেন, জুলাই-আগস্টে বৃষ্টি ও বন্যায় সবজিক্ষেত নষ্ট হওয়া। বৃষ্টিতে সবজি উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়। এতে কিছু সবজি চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম হয়। তাই সেসব সবজির দাম বেড়ে যায়। এ মুহূর্তে এটিই বড় কারণ বলছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তবে সিন্ডিকেট এবং কারো কারো অতি মুনাফা করার বিষয়টাও বলেছেন কেউ কেউ। এছাড়া গত বছরের তুলনায় এ সময়ে মূল্যবৃদ্ধির আরেকটি কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। তখন বেশ কিছুদিন চাঁদাবাজি, পরিবহন ও বাজারকেন্দ্রিক সিন্ডিকেট ছিল না। এতে সবজির দাম কমে গিয়েছিল। পরে আবার এগুলো শুরু হওয়ায় এখন দাম বেড়েছে। পাশাপাশি বর্ষার কারণে দেশের সড়ক-মহাসড়কের পরিস্থিতিও খারাপ হয়েছে, যানচলাচলে সময় বেশি লাগছে। এ কারণে সবজি সরবরাহে ট্রাক ভাড়া বেশি লাগছে। এছাড়া মালবোঝাই ট্রাক থেকে সড়কের কিছু জায়গায় বিভিন্ন ফির নামে টাকা আদায় করা হচ্ছে। ফলে ঢাকায় আসা পর্যন্ত পরিবহন খরচ বেড়েছে। সব মিলিয়ে বাজারে সবজির দাম বেড়েছে।

যে শঙ্কার তথ্য দিচ্ছে গবেষণা
গত ২৫ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি মিলনায়তনে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) তাদের এক গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন। ওই গবেষাণায় ওঠে আসে, বাংলাদেশে গত তিন বছরে দারিদ্র্যের হার প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২২ সালে যে হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ বর্তমানে তা ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ‘ইকনোমিক ডায়নামিকস অ্যান্ড মুড অ্যাট হাউজহোল্ড লেবেল ইন মিড ২০২৫’ শীর্ষক ওই গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, তিন বছরের ব্যবধানে শহরের একটি পরিবারের মাসিক আয় কমেছে আবার খরচও বেড়েছে। শহরের একটি পরিবারের গড়ে মাসিক আয় ৪০ হাজার ৫৭৮ টাকা। যেখানে খরচ হয় ৪৪ হাজার ৯৬১ টাকা। অথচ ২০২২ সালে শহরের একটি পরিবারের মাসিক গড় আয় ছিল ৪৫ হাজার ৫৭৮ টাকা। অন্যদিকে গ্রামের পরিবারের গড় আয় কিছুটা বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী গ্রামের একটি পরিবারের গড় আয় ২৯ হাজার ২০৫ টাকা এবং খরচ ২৭ হাজার ১৬২ টাকা। ২০২২ সালে গ্রামের পরিবারের গড় আয় ছিল ২৬ হাজার ১৬৩ টাকা। এদিকে, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকিন আহমেদ শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দুর্বল শ্রমবাজার ও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ২০২৫ সালে অতিরিক্ত ৩০ লাখ মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে পড়তে পারে। এতে দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৯ দশমিক ৩ শতাংশে। গত ২৪ আগস্ট রাজধানীতে ডিসিসিআই আয়োজিত বাংলাদেশের আগামী ছয় মাসে অর্থনীতির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

ইকোনমি বিডি/এসকেএল


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১