• শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন

বিইআরসির অভিযোগ নিষ্পত্তি ছাড়া গণশুনানিতে অংশ নেবে না ক্যাব

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জ্বালানি অপরাধ প্রতিরোধ ও জ্বালানি সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য বিইআরসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কোনো গণশুনানিতে অংশগ্রহণ করবে না কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, গণশুনানি না করেই সরকারি কোম্পানির তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর দাম বাড়িয়েছে বিইআরসি। গণশুনানিতে ন্যায্য ও যৌক্তিক প্রমাণিত না হলেও তারা জেট ফুয়েল বিক্রিতে পদ্মা তেল কোম্পানির চার্জ হার বাড়িয়েছে।

গণশুনানিতে ন্যায্য ও যৌক্তিক প্রমাণিত না হলেও নতুন শিল্প ও বিদ্যমান শিল্প সম্প্রসারণে বর্ধিত গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে এবং শিল্প ভোক্তাকে জ্বালানি সুবিচার থেকে বঞ্চিত করেছে বিইআরসি। সর্বোপরি, জ্বালানির দাম নির্ধারণের ক্ষমতার বৈধ ব্যবহার না করে বিইআরসি নিজের পদের অপব্যবহার করেছে। এতে ভোক্তা স্বার্থ ও অধিকার বিপন্ন হয়েছে।

তাই বিইআরসি আইনের ২০০৩-এর ধারা ২২(খ) এবং ধারা ৩৪(৪) ও ৩৪ (৬) লঙ্ঘন এবং ভোক্তা স্বার্থ ও অধিকার খর্ব করার অপরাধে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সব সদস্যকে স্ব-স্ব পদ থেকে উক্ত আইনের ধারা ১১ অনুযাযী অপসারণ ও ৪২ ধারা অনুযায়ী শাস্তি প্রদানের জন্য ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিয়েছে ক্যাব।

আইন লঙ্ঘন করে একের পর এক সিদ্ধান্ত দিয়েছে বিইআরসি। অতীতের ধারাবাহিকতায় বর্তমান বিইআরসিও তা অব্যাহত রেখেছে, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই জ্বালানি অপরাধ প্রতিরোধ ও জ্বালানি সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য বিইআরসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মাননীয় রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিষ্পত্তি না হওয়া অবধি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আহুত কোনো গণশুনানিতে অংশগ্রহণ করবে না ক্যাব।

আগামী ৬ অক্টোবর সার শ্রেণির গ্যাসের মূল্যহার বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর অনুষ্ঠিতব্য গণশুনানিতেও অংশ নেবে না ক্যাব।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১