• শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন

বাজারে মুরগির দাম ঊর্ধ্বমুখী, লেবুর হালি ৬০ টাকায় বিক্রি

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

কয়েক সপ্তাহ ধরে স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে থাকার পর রাজধানীর বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে মুরগির দাম। পাশাপাশি রমজান সামনে রেখে লেবুর বাজারেও হঠাৎ বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে অন্যান্য নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রে এখনও তেমন কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন হয়নি।

বিক্রেতারা জানান, সাধারণত রমজানের এক মাস আগেই কিছু পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। কিন্তু এবার পরিস্থিতি কিছুটা ব্যতিক্রম। চিনি, ছোলা ও পেঁয়াজের মতো পণ্যের দাম আগের তুলনায় স্থিতিশীল রয়েছে, কোথাও কোথাও কমতেও দেখা গেছে।

তবে কাঁচাবাজারে লেবু ও শসার ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। সাধারণত রমজানের প্রথম দিকেই এসব পণ্যের দাম বাড়ে, কিন্তু এবার রোজার প্রায় দুই সপ্তাহ আগেই মূল্যবৃদ্ধি শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগেও এই লেবু পাওয়া যেত ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। ছোট আকারের লেবুর হালি আগে যেখানে ২০ টাকা ছিল, এখন তা বেড়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

শসার দামও আগেভাগেই বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, কোথাও কোথাও ৮০ টাকাও নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৬০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, শবে বরাতের দুদিন আগ থেকেই লেবুর দাম বাড়তে শুরু করে। রমজানে ইফতারে লেবুর শরবতের চাহিদা বেশি থাকায় এই সময়ে বাজারে চাপ পড়ে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রমজানের অতিরিক্ত চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত উৎপাদন না থাকায় অনেক সময় অপরিণত লেবুও বাজারে চলে আসে।

লেবু ও শসা ছাড়া অন্যান্য পণ্যের বাজার এখনও স্বাভাবিক রয়েছে। ছোলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, যা এক মাস আগের তুলনায় কিছুটা কম। গত বছর এই সময়ে ছোলার দাম ছিল আরও বেশি।

ডালের বাজারেও স্বস্তি রয়েছে। অ্যাংকর ডাল কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, বড় দানার মসুর ডাল পাওয়া যাচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, যা গত বছরের তুলনায় কম।

চিনির বাজারও তুলনামূলক স্থিতিশীল। বর্তমানে চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়, যেখানে গত বছর একই সময়ে দাম ছিল ১২০ টাকার ওপরে।

এদিকে নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

ভোজ্যতেলের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকায় এবং খোলা সয়াবিন ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা পামওয়েলের দাম লিটারপ্রতি ১৫৫ থেকে ১৬২ টাকা।

ডিমের দাম আরও কমেছে। ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১৫ টাকার মধ্যে। তবে মুরগির বাজারে উল্টো চিত্র—ব্রয়লার মুরগির কেজি এখন ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, যা আগে কেজিতে ১০ টাকা কম ছিল। একই সঙ্গে সোনালি মুরগির কেজি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়, যেখানে শবে বরাতের আগে দাম ছিল ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১