• শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন

সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও চড়া দামে সবজি, মাছ ও মুরগি

Avatar photo
ইকোনমি বিডি
আপডেট: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ভোটের ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাজারে কয়েকদিন ধরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ কম ছিল। নির্বাচনের সময় সাধারণ যান চলাচলে বিধিনিষেধ থাকলেও পণ্যবাহী গাড়ি এর বাইরে ছিল। তবুও ঝুঁকি এড়িয়ে বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যাপ্ত ট্রাক না আসায় সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়। ফলে সবজি, মাছ ও মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

বিক্রেতারা জানান, গত দুই-তিন দিন সরবরাহ স্বাভাবিকের তুলনায় কম ছিল। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও পাইকারি বাজারে দাম কমেনি। খুচরা বাজারেও এর প্রভাব রয়ে গেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত দুই-তিন দিনের মতো আজও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি কম রয়েছে। কাঁচাবাজারের দোকানগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই বন্ধ রয়েছে। আর ক্রেতার সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের এক তৃতীয়াংশে নেমেছে। এখনো বেশিরভাগ মানুষ ভোটের ছুটিতে ঢাকার বাইরে অবস্থায় করায় বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে কম রয়েছে।

শনিবার সকালে মুগদা-মানিকনগর বাজারে দেখা গেছে, প্রতি কেজি শিম, মুলা ও বেগুন মানভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, গত সপ্তাহে যা ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যেত। পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ১০ টাকা বেশি। প্রতি পিস ফুলকপি ৫০-৬০ টাকায়, বাঁধাকপি ৩০-৪০ টাকায়, লাউ ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়। মরিচের দামও কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২০০ টাকায়। শসা প্রতিকেজি ৮০-১০০ টাকায় এবং গাজর ও টমেটো ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সালাদের জন্য অধিক চাহিদায় থাকায় এই তিন ধরনের সবজির দামই কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

এদিকে বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে যা ৫০ টাকায় পাওয়া যেত। আর প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়। গত সপ্তাহে ২০-২৫ টাকা কেজি দরে আলু পাওয়া যেত।

মাছের বাজারেও প্রায় সব ধরনের মাছে দাম বাড়তি রয়েছে। রুই মাছ প্রতি কেজি ২৮০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাতলা ৩০০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৬০-২০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। চিংড়ি প্রতি কেজি ৬৫০-৭০০ টাকা। মাঝারি আকারের কই মাছ ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগির দাম দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। সোনালি মুরগির কেজি ৩২০-৩৪০ টাকা, গত সপ্তাহে যা ২৯০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মুরগির দাম বাড়লেও ডিম আগের দাম ১২০ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। গত সপ্তাহে যা ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। আর খাসির মাংস পূর্বের দাম ১২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।


আরও

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১